Friday, October 16, 2020

প্রাকৃতিক ঔষধী খাদ্যে সুস্থ থাক সবার হার্ট।

 স্রষ্টার বিস্ময়কর সৃষ্টি হচ্ছে মানুষের হার্ট, একমাত্র প্রকৃতিই একে সচল রাখতে পারে!

২৫০ গ্রাম থেকে ৩৫০ গ্রাম ওজনের একটি মাংশ পিন্ড যা ঠিক বুকের মাঝখানে বসানো এটির মেডিকেল নাম হৃদ,হার্ট বা করোনারী। হার্টের ল্যাটিন শব্দ হচ্ছে করোনারী। লম্বায় ৫ ইন্চি, চওড়া ৩.৫ ইঞ্চি ও পুরত্ব ২.৫ ইঞ্চি মাংশ পিন্ডটি ১ মিনিটে ৭২ বার পাম্প করে ৫ /৬ লিটার রক্তকে সারা দেহ ঘুরিয়ে নিয়ে অাসে। হার্ট থেকে এ রক্ত সারা দেহ ঘুরে পুনরায় হার্ট ফিরে আসে ১ মিনিট সময়ে। এ সময়ে ৫ লিটার রক্ত প্রায় দেড়লাখ কিলোমিটার রক্তনালী পথ অতিক্রম করেছে। এ সময়ের মধ্যে দেহের প্রতিটি অঙ্গের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দিয়েছে এবং প্রতিটি অঙ্গ কোষে তৈরি বর্জ ফুসফুস ও কিডনিতে প্রেরন করে তা দেহ থেকে বের করে দিয়েছে। এ সব কাজগুলো ঘটেছে ১ মিনিট সময়ের মধ্যে।
হার্টের বিভিন্ন রোগ সমন্ধে জানার অাগে এটি কিভাবে এ বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদন করে তা একটু জেনে নেই।
হার্টের ৪ টি কক্ষ বা চেম্বার থাকে। উপরের দুটি চেম্বারকে ' এট্রিয়াম' বা অলিন্দ নিচের দুটি ভ্যান্ট্রিকল বা নিলয় বলে। একটি পর্দা দ্বারা লম্বালম্বি ভাবে বাম এবং ডান চেম্বার অালাদা করা থাকে। এ মেডিকেলের ভাষায় এ পর্দাকে সেপটাম বলে। সেপটামের বাম পাশে বাম অলিন্দ ও বাম নিলয় এবং ডান পাশে ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়।
সারা দেহ থেকে রক্ত ডান অলিন্দে প্রবেশ করে এবং ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয়ে প্রবেশ করে। ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয়ে রক্ত প্রবেশের জন্য একটি ছিদ্র আছে যা একটি টিস্যু দ্বারা বন্ধ থাকে। এ টিস্যুকে মেডিকেলের ভাষায় ট্রাইকাসপিড ভালব বলে। রক্ত ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে প্রবেশ করে। ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে প্রবেশ পথ একটি ভালব দ্বারা বন্ধ থাকে। এটিকে পালমোনারী ভালব বলে। রক্ত ফুসফুসে প্রবেশের পর ফুসফুসে থাকা অক্সিজেনের সাথে মিশে যায়। এ অক্সিজেন যুক্ত রক্ত ফুসফুস থেকে হার্টের বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। তারপর বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে প্রবেশ করে। বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে প্রবেশ পথ একটি ভালব দ্বারা বন্ধ থাকে। এ ভালবটিকে মেডিকেলের ভাষায় মিট্রাল ভালব বলে। রক্ত বাম নিলয়ে প্রবেশের পর মহাধমনী পথে দেহের দিকে ছুটে চলে। বাম নিলয় থেকে মহাধমনী প্রবেশ পথ একটি ভালব (র্এ্যওটিক ভালব) দ্বারা বন্ধ থাকে।
হার্টের ভিতর রক্ত একমুখী হয়ে চলে। রক্তের একমুখী প্রবেশকে ঠিক রাখার জন্য ভালবগুলো কাজ করে। রক্ত পুরো দেহ পরিভ্রমন শেষে আবার হার্টের বাম অলিন্দে প্রবেশ করে।
হার্ট প্রতি মিনিটে ৭০/৭২ টি বিট করে। একটি বিট থেকে পরবর্তী বিটে সময় ব্যবধান মাত্র পয়েন্ট ৮ সেকেন্ড(.৮)। প্রতি বিটে বাম অলিন্দ ও ডান অলিন্দ সংকোচিত হয়। মেডিকেলের ভাষায় এ সংকোচনকে সিসটোল বলে। যে সময়ে অলিন্দ দুটি সংকোচিত থাকে ঠিক সে সময়ে নিলয় দুটি প্রসারিত অবস্থায় থাকে। মেডিকেলের ভাষায় এটিকে ডায়াস্টোল বলে। ঠিক এ ভাবে অলিন্দ দুটি সিসটোল অবস্থায় থাকে তখন নিলয় দুটি ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। ঠিক বিপরীত অবস্থায় নিলয় দুটি সিসটোল অবস্থায় থাকলে অলিন্দ দুটি ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। সিসটোল ও ডায়াস্টোল এর সময় পার্থক্য পয়েন্ট ৮ সেকেন্ড।
অলিন্দ দুটির সংকোচন বা সিসটোল এর ফলে রক্ত বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে এবং ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয়ে প্রবেশ করে। নিলয় দুটি সংকোচন এর ফলে বাম নিলয় থেকে রক্ত ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং ডান নিলয় থেকে মহাধমনী পথে দেহে ছড়িয়ে পরে।
একটি সুস্থ্য হার্ট জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এ নিয়মে দেহের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। হার্টের নানা অংশের নানা দুর্বলতার কারনে দেহের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ব্যহত হয়। এর ফলে দেহ কোষের অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে এবং দেহ কোষে তৈরি বর্জ ঠিকমতো অপসারিত হতে পারেনা।
হার্টের নানা রোগ নিয়ে এখন অালোচনা করব।
হার্টের একটি অতি পরিচিত রোগের নাম 'করোনারী অার্টারী ব্লকেজ'। বিষয়টি হার্টের কি ধরনের সমস্যা সে বিষয়ে কথা বলব।
হার্টের রক্ত সঞ্চালন পথ নিয়ে উপরে অালোচনা করেছি। বিস্ময়কর বিষয় হলো এ হার্ট প্রতি মিনিটে ৫/৬ লিটার পাম্প করে দেহের দিকে ছুঁড়ে দেয় অাবার ফিরিয়ে অানে। কিন্তু হার্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত ধমনী থেকে নিতে হয়। অর্থাৎ ডান নিলয় থেকে রক্ত মহাধমনীতে প্রবেশের পর ঐ মহাধমনী থেকে দুটি শাখাধমনী হৃদপিন্ডের বাম এবং ডান পাশ দিয়ে প্রবেশ করে শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত হয়ে সারা হৃদপিন্ডের সর্বত্র ছড়িয়ে পরেছে। বাম পাশের ধমনীকে মেডিকেলের ভাষায় ' লেফ্ট করোনারী অার্টারী ' ডান পাশের ধমনীকে ' রাইট করোনারী অার্টারী ' বলে। অার্টারী একটি ল্যাটিন শব্দ যার বাংলা অর্থ ধমনী। দেহের ভিতর দুই ধরনের রক্ত চলাচল নালীপথ অাছে। হৃদপিন্ড থেকে রক্ত পরিবাহী নালীকে ধমনী এবং দেহের প্রান্তিক লেবেল থেকে হৃদপিন্ডে বহনকারী রক্তনালীকে শিরা বলে।
♦
হৃদপিন্ডের ধমনী পথে কোন বাঁধা তৈরি হলে একে করোনারী অার্টারী ব্লকেজ বলে। অাগেই বলেছি হৃদপিন্ড বা হার্টের ল্যাটিন শব্দ হচ্ছে করোনারী।
লেফ্ট করোনারী অার্টারী হৃদপিন্ডের বেশীর ভাগ অংশে রক্ত সরবরাহ করে তাই এ অার্টারীর যে কোন ব্লকেজ হৃদপিন্ডের কাজকে বেশী ব্যহত করে।
♦
কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ হার্টের জন্মগত ত্রুটি। হার্টের কাঠামোয় ছিদ্র বা হার্টের ভিতর রক্ত অাসা যাওয়ার বড় রক্তনালীর কাঠামোগত ত্রুটি।
♦
ভালভিউলার হার্ট ডিজিজ এটি হার্টের ভালবের সমস্যা। উপরের অালোচনায় জেনেছি হার্টের ভিতর রক্ত প্রবাহ একমুখী। একমুখী রক্ত প্রবাহ ঠিক রাখা এর কাজ। ভালবের যে কোন অাকৃতিগত পরিবর্তন হার্টের ভিতরের রক্ত প্রবাহের গতিপথকে বিঘ্নিত করে। ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়।
♦
কনজেসটিভ হার্ট ফেইল্যুর হার্টের অলিন্দ বা এট্রিয়াম এবং নিলয় বা ভ্যান্ট্রিকল এর পাম্প করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারনে হয়। বিশেষ করে ল্যাফ্ট ভ্যান্ট্রিকল যদি পাম্প না করতে পারে তবে দেহে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়। এটি হার্টের একটি মারাত্মক সমস্যা। করোনারী ব্লকেজ বা ভালবের সমস্যা থেকে কনজেসটিভ হার্ট ফেইলুর হয়।
এককথায় হার্টের যে সমস্যাই হোকনা কেন সমস্যাটি হার্টের ভালব,রক্তনালী বা পেশীর সমস্যা থেকে তৈরি হয়।
♦
হার্ট বল্ক হচ্ছে হার্টের কম্পন বা বিটের সমস্যা। সুস্থ্য হার্ট প্রতি মিনিটে ৭০/৭২ টি বিট করে। হার্টের এট্রিয়াম' বা অলিন্দ থেকে এ বিট শুরু হয় এবং সারা হার্টে ছড়িয়ে পরে। ডান অলিন্দের যে স্থান থেকে এ বিট শুরু সেটিকে সাইনোএট্রিয়াল নোড সংক্ষেপ এসএ নোড বলে। এসএ নোড থেকে এভি (এট্রিওভ্যান্টিকুলার যেটি এট্রিয়াম(অলিন্দ) ও ভ্যান্ট্রকল(নিলয়) এর সংযোগ স্থানে অবস্থিত ) নোড এ সিগনাল পৌঁছে। এভি নোড থেকে এটি হৃদপিন্ডের নিলয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
এসএ নোড ও এভি নোড হৃদপিন্ডের বিশেষায়িত কোষ দিয়ে তৈরি যেটি বিদ্যুৎ তরঙ্গ সৃষ্টি করে হার্টের সংকোচন প্রসারন ঘটায়। এসএ নোডকে মেডিকেলের ভাষায় প্রাকৃতিক প্যাসমেকার বলে। এ এসএ নোডের অকার্যকারীতা কারনে হার্টের বিট কমে গিয়ে হার্ট ফেইল্যুর হয়।
উপরিউক্ত হার্টের সমস্যা সমাধানে অাধুনিক মেডিকেল চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে একটু অালোচনা করব।
হার্টের যে কোন সমস্যায় কমন যে ড্রাগগুলো ব্যবহার হয় সেগুলো হচ্ছে;
♣
বিটাব্লকার,এমলোডিপিন, এসিই ইনহিবিটর (জেনেরিক নেইম ডাক্তাররা পছন্দের কোম্পানির বাজারী নাম লিখেন) এ ড্রাগগুলো উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে। কারন অসুস্থ্য হার্ট অতিরিক্ত বিট করলে সমস্যা তীব্র হতে পারে।
♣
ইকোসপ্রিন,ওয়ারফারিন,ক্লোপেডাগ্রেল (জেনেরিক নেইম ডাক্তাররা পছন্দের কোম্পানীর বাজারী নাম লিখেন) রক্ত পাতলা রাখার ড্রাগ। দেহের ভিতর রক্ত যাতে দলা না বাঁধে এ জন্য এটি হার্টের রোগীদের দেয়া হয়।
♣
এটরভাসটাটিন (জেনেরিক নেইম বহু নামে পাওয়া যায়) চর্বি (কোলেষ্টেরল) কমানোর ড্রাগ। অতিরিক্ত কোলেষ্টেরল রক্তনালীতে জমে রক্তনালী সরু করে এতে রক্ত চলাচল বিঘ্ন ঘটে।
♣
ফ্রুসেমাইড (জেনেরিক নেইম) দেহ থেকে পানি বের করার ড্রাগ।
এ ছাড়া এমাইওডেরন ও ডিগক্সিন (জেনেরিক নেইম) এ ড্রাগ দুটি অনিয়মিত হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রন করার জন্য ব্যবহার হয়।
উপরিউক্ত ড্রাগগুলো কোনটি ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার,এড্রেনালিন, এলডোসটেরন হরমোন ব্লকার, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ব্লকার। হৃদপেশী অনবরত সংকোচন প্রসারনের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। এ সংকোচন ও প্রসারন এর বিটটা শুরু হয় এসএ নোড থেকে। এসএ নোড (বিশেষায়িত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোষ) বিদ্যুৎ তৈরি করে। এর ফলে দেহ কোষের বাইরে ও ভিতরে থাকা সোডিয়াম,পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম একচেন্জ হতে থাকে। এ খনিজগুলোর নিজস্ব বৈদ্যুতিক চার্জ রয়েছে। চার্জের ধর্মানুসারে নেগেটিভ চার্জ পজেটিভ চার্জের দিকে ধাবিত হয়। এ ভাবে চার্জ পরিবর্তনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ তরঙ্গ বাহিত হয় এবং পেশীকোষের সংকোচন ও প্রসারন ঘটে।
ড্রাগগুলো ঐ খনিজগুলোর চলাচল অাটকিয়ে দিয়ে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এর গতি নিয়ন্ত্রন করে।
উপরিউক্ত ড্রাগগুলো সকল ধরনের হার্ট ডিজিজ কমন ব্যবহার করা হয়। বিশেষ বিশেষ সিমটোম দমনের জন্য অারও কিছু ড্রাগ ব্যবহার হয়। একটি ড্রাগও মুল সমস্যা সমাধানে কোন ভূমিকা রাখেনা।
করোনারী অার্টারী ব্লকেজ' এর ক্ষেত্রে ব্লকেজ' মুক্ত করার জন্য ব্লক স্থানে রিং (স্টেন্ট) পরিয়ে দেয়া হয় উদ্দেশ্য রক্ত চলাচল উন্মুক্ত রাখা। বা বাইপাস করে বিকল্প রক্তনালীর সংযোগ দেয়া হয়। সব কিছুর উদ্দেশ্য হার্টের রক্ত সঞ্চালন পথ খুলে রাখা যাতে হার্টের সর্বত্র রক্ত পৌঁছে যায়।
হার্টের ছিদ্র বন্ধ বা ভালব রিপেয়ারিং বা প্রতিস্থাপন করার জন্য সার্জারীর বিকল্প নেই।
হার্ট বল্কের জন্য দায়ী ন্যাসারাল পেসমেকার এসএ নোড এর পরিবর্তে কৃত্রিম পেসমেকার (যান্ত্রিক ডিভাইস) লাগানো হয়।
এর কোনটিই সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয় তবে যদি চিকিৎসায় ভাল না হয় তবে বেঁচে থাকার এটিই বিকল্প।
প্রাকৃতিক চিকিৎসায় জন্মগত ত্রুটি (কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ) ছাড়া অন্য সব সমস্যার প্রাথমিক অবস্থায় সমাধান সম্ভব। কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজের কারন গর্ভাবস্থায় মায়ের নিউট্রিশন ঘাটতি, মানসিক চাপ,কিছু ড্রাগ,এলকোহল ও টোবাকোর ব্যবহার।
এখন হৃদপিন্ডের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান নিয়ে কথা বলব।
হৃদপিন্ডের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন বিষেশায়িত কোষ দ্বারা তৈরি। হার্ট পেশী কোষের একটি বিষেশ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সংকোচন প্রসারন ক্ষমতা। কোষগুলোর নেটওর্য়াক এমন ভাবে তৈরি যে, একসাথে সকল পেশী কোষ সংকোচন প্রসারন ঘটে। হৃদপেশী কোষকে মেডিকেলের ভাষায় কার্ডওমায়োসাইট বলে। মায়োসাইট খুব ধীরে রিজেনারেট করে। এ জন্য হার্ট মাসেল ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর রিপেয়ারিং এ দীর্ঘ সময় নেয়। তবে সঠিক যত্ন নিলে লাইফ টাইম হার্ট ভাল রাখা সম্ভব। ৬ মাসের মধ্যে বিধ্বস্ত মায়োসাইট এর পুর্নবহাল সম্ভব হয়।
হার্ট পেশী কোষ ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন ভাবে কাজ করে যায়। তার এ কাজের জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন ও পুষ্টি। দেহের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় হার্টে বেশী অক্সিজেন ও পুষ্টির প্রয়োজন হয়। এজন্য করোনারী অার্টারী বল্কেজ হলে হৃদপিন্ডে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কারন অক্সিজেন ও পুষ্টি ছাড়া কোষ বাঁচেনা।
প্রতিদিন ১ ঘন্টা এরোবিক ব্যায়াম করে হার্টের অক্সিজেন মাত্রা ঠিক রাখা যায়। সাথে দিতে হবে কোষের অপরিহার্য পুষ্টি।
হার্ট সুস্থ্য রাখার জন্য যা যা খেতে হবে ;
♥মোট খাবারের ৭০% খেতে হবে অর্ধ সিদ্ধ ভেজিটেবল,সালাদ ও ফলমুল।
♥চর্বি ও প্রোটিন ৩০%
♥৬/৮ গ্রাম স্পাইরুনিলা ও ২ গ্রাম ওমেগা, ৩০ গ্রাম সোয়ােপ্রোটিন খেলে কোষ ভাল থাকে।
♥কোষ রিজেনারেটিং বিশেষায়িত ন্যাচারাল মেডিসিন।
♥ এ টু জেড ভিটামিনস ও মিনারেল খেতে হবে।
যে খাদ্যে খাওয়া চলবে না;
♠পশুর মাংশ খাওয়া যাবেনা।
♠এলকোহল ও টোবাকো।
♠বেকারী ফুড।
♠অতিরিক্ত চিনি ও লবন।
একসময় মনে করা হতো বিধস্ত হৃদ কখনো পুর্নগঠিত হয়না। সম্প্রতি গবেষনায় জানা গেছে হৃদপিন্ড ৬ মাসের মধ্যে নিজেকে সারিয়ে তুলে। বিকল্প আর্টারী তৈরি করে হার্টের রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

Friday, August 2, 2019

ভিনেগার সম্পকিত তথ্য, উপকারিতা এবং অপকারিতা



ভিনেগার এসিটিক এসিডের (CH3COOH) ৬-১০% ও পানির মিশ্রণে তৈরি | চিনি বা ইথানলকে গাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসিটিক এসিডে পরিণত করা হয়। এটি সাধারণতঃ রান্নাকর্মে ব্যবহৃত হয়। এটি মদ কিংবা আপেলের রস দিয়ে উৎপন্ন এলকোহল, ফলের রস ইত্যাদি জাতীয় তরল পদার্থ সহযোগে ভিনেগার তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। উক্ত তরলে ইথানল দ্রবীভূত হয়ে ভিনেগারে রূপান্তরিত করে। নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করেও এটি প্রস্তুত হয়।

রান্নাকর্মে প্রায়শঃই আচার-চাটনী ও সালাদে এটি ব্যবহার করা হয়। ইতালীয় রান্নায় ভিনেগার, তৈল এবং লবণ আবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে বিবেচিত। গৃহস্থালী পরিস্কার, পুড়ে যাওয়া, চিকিৎসায় পথ্য ইত্যাদি বহুবিধ ক্ষেত্রে এর স্বার্থক প্রয়োগ ঘটেছে।

ইতিহাস
ভিনেগার হাজার হাজার বছর পূর্বে তৈরি করা হয়েছে এবং মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত। ৩০০০ খ্রি.পূর্বে মিশরে এটি পাওয়া যায়।

প্রকারভেদ
1. সাধারন ভিনেগার
2. Apple cyder vineger

ব্যবহৃত উপাদান
ভিনেগারে বিভিন্ন রকমের ফলমূল যেমন: আপেল, আঁখ, নারিকেল, খেজুর, নাশপাতি, টমেটো; শস্য হিসেবে চাউল, গম সহ মধু দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। এ সকল ফল বা শস্যের নামানুসারে ভিনেগারের নামকরণ করা হয়ে থাকে। অধিকাংশ ফলের ভিনেগার ইউরোপে প্রস্তুত করা হয়। স্বতন্ত্র ফল দিয়ে প্রস্তুত এ সকল ভিনেগার উচ্চ মূল্যে বিক্রয়ের আদর্শ বাজার হিসেবে চিহ্নিত।[৪] এছাড়াও, কোরিয়া, চীনেও ফল দিয়ে ভিনেগার প্রস্তুত করে থাকে।

স্বাদ অক্ষুণ্ন ও গন্ধযুক্ত করতে মশলাজাতীয় উপাদানের প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জগুলো সামুদ্রিক খাবারের স্টলে ভিনেগারের মধ্যে মরিচ ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে। মিষ্টিজাতীয় ভিনেগার ক্যান্টনিজ উদ্ভূত যা চাউল ও চিনির সাথে আদাজাতীয় মসলা ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র
 Das, Bhagwan; Sarin, J. L. (১৯৩৬)। "Vinegar from Dates"। Industrial & Engineering Chemistry। 28 (7): 814। doi:10.1021/ie50319a016।
 Forbes, Robert James (১৯৭১)। "Studies in Ancient Technology"।
 Holzapfel, Lisa Solieri, Paolo Giudici, editors ; preface by Wilhelm (২০০৯)। Vinegars of the world (Online-Ausg. সংস্করণ)। Milan: Springer। পৃষ্ঠা 22–23। আইএসবিএন 9788847008663। Cleopatra dissolves pearls in vinegar [...] vinegar is quite often mentioned, is the Bible, both in the Old and in the New Testament.
 "What is Fruit Vinegar?". vinegarbook.net. Retrieved June 10, 2010

বিষয়শ্রেণী: মসলা
=====================

আপেল সিডার ভিনেগারের ৩০টি উপকারিতা সমূহঃ

আধুনিক রন্ধন প্রক্রিয়ায় আপেল সিডার ভিনেগার একটি অন্যতম উপাদান। এর রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্যকরী গুণ। মজার ব্যাপার হচ্ছে রান্নার কাজ ছাড়াও রূপপচর্চা, গৃহস্থালির নানা কাজে আপেল সিডার ভিনেগারের বহুমুখী ব্যবহার হয়ে থাকে।

এর মধ্যে জিনিসপত্র পরিষ্কার, চুল ধোয়া, খাবার সংরক্ষণ এবং ত্বকের উন্নয়নে এটি চমৎকার কাজ করে। বিভিন্ন ধরনের রেসিপি, সালাদ, স্যুপ, সস, গরম পানীয় এবং অন্যান্য কাজেও আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহ্রত হয়।

আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করে চমৎকার ফলাফল পাওয়া যায় এমন ৩০টি উপায় ঢাকাটাইমস পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

১. রক্তে শর্করা পরিমাণ নিয়ন্ত্রণঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করা পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, উচ্চ শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণের পর আপেল সিডার ভিনেগার খেলে ৩৪ শতাংশ ইনসুলিন সংবেদনশীলতার উন্নয়ন করে এবং রক্তে শর্করা পরিমাণ পর্যাপ্ত কমায়। তবে আপনি যদি ডায়াবেটিসের ওষুধ খান তাহলে আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার আগে অবশ্য চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

২. পেট পরিপূর্ণ রাখেঃ 
ওজন নিয়ন্ত্রণে অনেক সময় আপেল সিডার ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। কারণ এটি খেলে ক্ষুধা কম লাগে। কিছু সংক্ষিপ্ত গবেষণায় বলা হয়েছে, আপেল সিডার ভিনেগার কম ক্যালোরি গ্রহণ, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং পেটের চর্বি কমায়।

৩. খাবার সংরক্ষণঃ 
অন্যান্য ভিনেগারের মতো আপেল সিডার ভিনেগারও খাবার সংরক্ষণে চমৎকার কাজ করে। আচার তৈরি এবং খাবার সংরক্ষণে মানুষ হাজার বছর ধরে ভিনেগার ব্যবহার করে আসছে। খাবার অ্যাসিড বাড়াতে কাজ করে আপেল সিডার ভিনেগার। আর এটি খাবারের এনজাইম নিষ্ক্রিয় করে এবং ব্যাকটেরিয়ারে মেরে ফেলে। এর ফলে খাবার পচে না।

৪. দুর্গন্ধনাশকঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদানের কারণে সুপরিচিত। এই কারণে দাবি করা হয়ে থাকে, দুর্গন্ধ দূর করতে আপেল সিডার ভিনেগার চমৎকার কাজ করে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো গবেষণা নেই। আপনি চাইলে পানির সঙ্গে আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে ডিওডরেন্ট স্প্রে তৈরি করে দেখতে পারেন। দুর্গন্ধ দূরকারী প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে আপেল সিডার ভিনেগারের বেশ সুনাম রয়েছে।

৫. সালাদ তৈরিঃ সহজ উপায়ে ঘরে সালাদ তৈরি করতে চাইলে আপেল সিডার ভিনেগার একটি ভালো উপাদান। এটি সালাদের স্বাদ বাড়াতেও সাহায্য করে।

৬. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়ঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়- বিভিন্ন গবেষণায় প্রায়শই এমন দাবি করা হয়ে থাকে।

পরীক্ষাগারের গবেষণায় দেখানো হয়েছে, ক্যানসারের কোষ হত্যায় ভিনেগার কাজ করে। কিছু পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় বলা হয়েছে, খাদ্যনালীর ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে আপেল সিডার ভিনেগার কাজ করে। তবে এসব গবেষণার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়নি।

৭. পরিষ্কারকঃ আপেল সিডার ভিনেগার প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। এর কারণ হচ্ছে, এর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান। এক কাপ পানির সঙ্গে আধা কাপ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিয়ে আপনি সব ধরনের পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

৮. গলার স্বর ঠিক রাখতেঃ 
গলার স্বর ভেঙ্গে গেলে তা ঠিক করতে আপেল সিডার ভিনেগারের ব্যবহার একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। মনে করা হয়, এটি অ্যান্টি ব্যকটেরিয়া, যার দ্বারা গলায় সমস্যা তৈরি করা ব্যকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করা যায়। তবে এর পক্ষে কোনো শক্ত প্রমান নেই।

তবে আপনি যদি এটি ব্যবহার করতে চান তাহলে কুলকুচি করার আগে অবশ্যই পানি মিশিয়ে নিবেন। কারণ আপেল সিডার ভিনেগার এক ধরণের অ্যাসিড। তাই পানি না মেশালে গলা পুড়ে যেতে পারে।

৯. ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রেঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার ত্বক মসৃণ করতে সাহায্য করে এবং ব্রণসহ চামড়ার যে কোনো সমস্যা দূর করে। এছাড়া বয়সের ছাপ কমিয়ে আনতে এটি অত্যন্ত কার্যকরি। এ কারণে অনেকেই ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করে।

তিন ভাগের দুইভাগ পানি এবং একভাগ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে তুলা দিয়ে হালকা করে মুখে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু যদি কারো ত্বক বেশি সংবেদনশীল হয় তাহলে পানির পরিমাণ একটু বাড়িয়ে দিতে হবে।

১০. ঘরের কিটপতঙ্গ মারার ফাঁদ হিসেবেঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার ঘরের কিট পতঙ্গ মারার ফাঁদ হিসেবে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। একটি কাপে আপেল সিডার ভিনেগার ঢালুন এবং তাতে কয়েক ফোটা বাসন পরিস্কার করার সাবান মিশিয়ে দিন। এরপর এটাতে পোকা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা যাবে। 

১১. ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ করতেঃ 
ডিম সিদ্ধ করার সময়ে পানিতে একটু আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে দিন। তাহলে ডিম খুব দ্রুত ভালোভাবে সিদ্ধ হবে।

কারণ, ডিমের সাদা প্রোটিনে ভিনেগারের অ্যাসিডের কারণে তেজস্ক্রিয়তা তৈরি করে এবং তা ভালোভাবে সিদ্ধ হতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিম সাদা রাখতে এবং ভাজার সময় হালকা ভিনেগার ব্যবহার করলে তা আরো সুন্দর হয়।

১২. খাবার সুস্বাদু করতেঃ 
এছাড়া খাবার সুস্বাদু করতে রান্নার সময় আপেল ভিনেগার ব্যবহার করা হয়। মাংসের স্টেককে আরো সুস্বাদু করতে এটি জনপ্রিয় উপাদান। এটি মাংসে চমৎকার মিষ্টি এবং টক স্বাদ তৈরি করে।

এছাড়া স্টেককে আরো সুস্বাদু গন্ধ দিতে আপেল ভিনেগারের সাথে ওয়াইন ভিনেগার, রসুন, সয়া সস, পেঁয়াজ এবং গোলমরিচ মেশানো যেতে পারে।

১৩. ফলমূল বিষমুক্ত করতেঃ 
কিনে আনা ফলমূলে কীটনাশক পদার্থ থাকতে পারে। এছাড়া ফরমালিনের মতো বিষাক্ত পদার্থও থাকতে পারে। এজন্য অনেকে এসব ফলমূল বা শাক-সবজি বিষমুক্ত করতে আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে ধৌত করে।

যদিও এটি ফলমূলকে পুরোপুরি বিষমুক্ত করতে পারে না তবে শুধু পানি দিয়ে ধৌত করার চেয়ে এটি অধিক কাজ দেয়। এছাড়া খাবারের বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া দূর করে আপেল সিডার ভিনেগার।

উদাহরণ স্বরূপ, ভিনেগার দিয়ে ধৌত করা খাবার থেকে ই কোলি এবং সালমোনেলার মত বিপদজনক ব্যাকটেরিয়া দূর হয়েছে।

১৪. দাঁত পরিষ্কার করতেঃ 
আপনি দাঁত পরিষ্কার করতেও আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। এটি দাঁত এ জমে থাকা দাগ ও হলদে ভাব দূর করে সাথে মুখে জমে থাকা অনুজীব দূর করে থাকে। যদিও দাঁত পরিষ্কারের সেরা পদ্ধতির বিষয়ে দ্বীমত রয়েছে। মনে করা হয়, আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করলে অন্য সব দাঁত পরিষ্কারের উপাদান থেকে মুখের ভিতরে কম ক্ষতি হয়।

১৫. গোসলের সময়ঃ
যে কারণে মানুষ আপেল সিডার ভিনেগার মুখের ত্বকচর্চায় ব্যবহার করে ঠিক একই কারণে এটি গোসলের সময়ও ব্যবহার করা যায়। ত্বক মসৃন ও সমস্যামুক্ত রাখতে আপেল সিডার ভিনেগার অত্যন্ত কার্যকরি।

আপনি গোসলের জলের ভিতর ১/২ কাপ আপেল সিডার ভিনেগার ঢেলে দিন। এবং গোসল করুন। এতে আপনার শরীরের ত্বক অত্যন্ত ভালো থাকবে।

১৬. চুলের যত্নেঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার চুলের যত্মেও ব্যবহার করা যায়। এটি দিয়ে চুল ধুলে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং চুল লম্বা হয় ও উজ্জল দেখায়।

দুই ভাগের একভাগ পানি এবং একভাগ ভিনেগার ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে দিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। আর যদি আপনার মাথার ত্বক সংবেদনশীল হয় তালে ভিনেগারের মধ্যে বেশি করে পানি মিশিয়ে নিন। কারণ এটি অ্যাসিডযুক্ত।

১৭. খুশকি কমাতেঃ
হালকা পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে তা দিয়ে মাথা মাসাজ করলে খুশকি কমার সম্ভাবণা রয়েছে। পরিষ্কার নয় যে এটি কিভাবে কাজ করে। তবে ডাক্তারি তত্ত্বের মতে, ভিনেগারের অ্যাসিড মাথার ত্বকে মালাসেজিয়া নামক ছত্রাক প্রতিরোধ করে। যে ছত্রাক খুশকি বিস্তারে সহায়তা করে।

১৮. সস হিসেবেঃ
সস হিসেবে আপেল সিডার ভিনেগার হতে পারে আপনার খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়ার অন্যতম উপাদান। টমেটো সসের সাথে অল্প করে ভিনেগার মেশালে এটি খাবারকে আরো স্বাদযুক্ত করে দেয়।

১৯. স্যুপের মধ্যেঃ
স্যুপের মধ্যে আপেল সিডার ভিনেগার দেয়া যেতে পারে। এতে স্যুপের স্বাদ আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। যদি ঘরে তৈরি স্যুপের স্বাদ আরো বাড়িয়ে নিতে চান তাহলে রান্নার শেষের দিকে অল্প করে ভিনেগার মিশিয়ে দিন।

২০. আগাছা বিনাশ করার জন্যঃ 
আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন আগাছা বিনাশ করার ঔষধ। এরপর এটি বাড়ির বাগানের আগাছার উপর স্প্রে করে দিলে সেগুলো মরে যাবে। এছাড়া এর মধ্যে সাবান ও লেবুর রস মেশালে তা আরো কার্যকরী হবে।

২১. ঘরে কেক ও ক্যান্ডি তৈরি করতেঃ 
ঘরে কেক ও ক্যান্ডি তৈরি করার সময় এর স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়িয়ে তুলতে আপেল সিডার ভিনেগার ব্যহার করা যায়। এটি ঘরে তৈরি এসব জিনিসকে আলাদা স্বাদ প্রদান করে।

২২. ব্যতিক্রমী গরম পানীয় তৈরি করতেঃ 
একটি ব্যতিক্রমী গরম পানীয় তৈরি করতে ১২ আউন্স (৩৫৫ মিলি) গরম পানিতে আপেল সিডার ভিনেগার ২ টেবিল চামচ, দারুচিনি ১ চা চামচ, ১ চামচ মধু এবং ২ টেবিল চামচ লেবুর রস দিতে হবে। এর স্বাদ অসাধারণ

২৩. মুখ পরিষ্কারের জন্যঃ 
আপেল ভিনেগারকে মুখ পরিষ্কার করার জন্য কার্যকরী উপাদান হিসেবে মনে করা হয়। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের শ্বাসের গন্ধ দূর করে।

যদি আপনি এটা করতে চান তাহলে অবশ্যই তা পানির সাথে মিশিয়ে নিবেন। এক কাপ বা ২৪০ মিলি পানির সাথে এক টেবিল চামচ ভিনেগার নিতে পারেন। সরাসরি ভিনেগার মুখের ভিতর ব্যবহার করলে দাঁত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২৪. দাঁত পরিষ্কারের ব্রাশ পরিষ্কার করতেঃ 
আমরা দাঁত পরিষ্কার করার জন্য ব্রাশ ব্যবহার করি। কিন্তু কিছুদিন ব্যবহারের পর ব্রাশের ভিতরে অপরিষ্কার হয়ে যায়। তখন এ ব্রাশ পরিষ্কারের জন্য আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করা যায়।

ঘরে বসে টুথব্রাশ ক্লিনার যেভাবে বানাবেন- ১২০ মিলি পানি, ২ টেবিল চামচ ভিনেগার এবং দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশালেই এটি তৈরি হয়ে যাবে।

২৫. দাঁত সাদা করার জন্যঃ
আপেল সিডার ভিনেগার হলো অ্যাসিডযুক্ত। তাই অনেকে দাঁতের দাগ দূর করতে এবং দাঁত আরো সাদা করতে আপেল ভিনেগার ব্যবহার করে থাকে। আপনি এটি করতে চাইলে, একটু তুলা ভিনেগারে ভিজিয়ে দাঁতের উপর হালকা করে লাগান।

তবে এ কাজটি করতে গেলে খুব সাবধানে করতে হবে। কারণ আপেল সিডার ভিনেগারের অ্যাসিড দাঁতের গোড়ায় লাগলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২৬. ব্রণ দূর করতেঃ 
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এর আন্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রভাব প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। যা মুখে ব্রণের বৃদ্ধি কমিয়ে আনে এবং ব্রণ দূরীকরণে সাহায্য করে। এর এসিড মুখের পি এইচ এর মাত্রা ঠিক রাখে এবং অন্যান্য দাগ দূর করতে সহায়তা করে।

২৭. আঁচিল দুর করতেঃ 
আঁচিল দুর করতে কাজ করে আপেল সিডার ভিনেগার। প্রাকৃতিকভাবে আঁচিল দূর করতে ভিনেগারের অ্যাসিড খুব কার্যকরী।

তবে এ পদ্ধতিতে আঁচিল দূর করা খুব কষ্টদায়ক। তাই আঁচিল দূর করার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে চাইলে খুব সাবধানে করতে হবে।

২৮. প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবেঃ
নিজেকে আকর্ষণীয় করতে তুলতে নানা রকম সুগন্ধী ব্যবহৃত হয়। তবে বাড়িতেই খুব ভালো প্রাকৃতিক সুগন্ধী বা ডিওডোরেন্ট তৈরি করা যায়। যার মূল উপাদানই হলো আপেল সিডার ভিনেগার।

২৯. বাসন পরিষ্কারক হিসেবেঃ
বাসার থালা বাসন আরো ভালোভাবে পরিষ্কার এবং এর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী আপেল সিডার ভিনেগার। বাসন পরিষ্কার করা সাবানের সাথে একটু ভিনেগার মিশিয়ে নিলেই এমন উপকার পাওয়া যায়।

৩০. মশা মাছি থেকে পরিত্রাণ পেতেঃ
দুইভাগের একভাগে পানি এবং এক ভাগে আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে সারা ঘরে স্প্রে করলে মশা মাছি দূরে থাকবে। এবং পরিবেশ সুন্দর রাখবে।

আপেল সিডার ভিনেগার ঘরোয়া কাজের ক্ষেত্রে একটি বহুল ব্যবহৃত উপাদান। এটি ঘরে থাকলে অনেক সমস্যার খুব দ্রুত সমাধান করা যায়।


ভিনিগারের অপকারিতা

শরীর, ত্বক, চুলের যত্ন, ওজন কমানো বা বিভিন্ন রান্নায় আপেল সিডার ভিনেগারের ব্যবহার করা হয়। এই আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহারের সময় কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হয়। না হলে হতে পারে বিপত্তি।

সাবধানতা 
  • ত্বক সংবেদনশীল হলে জলের সঙ্গে মিশিয়ে আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করতে হবে।
  • দাগ দূর করে দাঁত সাদা করতে আপেল সিডার ভিনেগার বেশ কাজে দেয়। কিন্তু ভিনেগারের অ্যাসিড দাঁতের গোড়ায় লাগলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তুলোর বলে ভিনেগার নিয়ে দাঁতে হালকা করে লাগাতে হবে।
  • খাওয়ার আধাঘণ্টা আগে বা পরে এটি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
  • রাতে ঠিক ঘুমানোর আগেই আপেল সিডার ভিনেগার পান করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এটা থেকে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই বিছানায় যাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে পান করুন।
  • সরাসরি ভিনেগার পান না করে এক গ্লাস জলে আধা কাপ ভিনেগার মিলিয়ে পান করুন।

Tuesday, June 17, 2008

ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক পড়াশুনা

Unani & Ayurvedic Hears

হতে চাইলে ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক
দেশে ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা পণ্যের ভালো চাহিদা আছে বিষয়ে ডিগ্রি নিয়ে চেম্বার দেওয়ারও সুযোগ আছে হতে পারেন সরকারি মেডিক্যাল অফিসার আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষকস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পেও চাকরির সুযোগ আছে

মানুষের সুস্থ জীবন নিশ্চিতের পাশাপাশি বহু লোকের আয়-রোজগারের পথও করেছে ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা হামদর্দ ল্যাবরেটরি ওয়াকফ বাংলাদেশ, ইবনে সিনাসহ অনেক প্রতিষ্ঠান চিকিত্সার সঙ্গে সঙ্গে ইউনানি আয়ুর্বেদিক পণ্য উত্পাদন বিপণন করে আসছে ইউনানি আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা, পণ্য উত্পাদন, বিপণনের সঙ্গে জড়িত দেশের অনেক মানুষ

পড়ার সুযোগ আছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের অধিভুক্ত সরকারি ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব ইউনানি মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিইউএমএস) এবং ব্যাচেলর অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএএমএস) কোর্স করা যায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি এইচএসসি মিলে আট পয়েন্ট হলেই ভর্তির আবেদন করা যাবে সরকারি ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজে কোর্সটির পাঁচ বছর প্রাতিষ্ঠানিক এক বছর ইন্টার্নশিপ শেষে পাওয়া যাবে ডিগ্রি প্রতিবছর এইচএসসির ফল প্রকাশের পর ব্যাচেলর কোর্সে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ইউনানি বিষয়ে ২৫ জন আয়ুর্বেদিক বিষয়ে ২৫ জন ভর্তির সুযোগ পান ছাড়া সরকার স্বীকৃত বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক, সিস্টেমস অব মেডিসিন বিভাগ থেকে চার বছরমেয়াদি ডিপ্লোমা অব ইউনানি মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (ডিইউএমএস) এবং ডিপ্লোমা অব আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (ডিএএমএস) ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হওয়া যাবে এসএসসি পাস হলেই আবেদন করা যাবে ডিপ্লোমা কোর্সে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ করতে হবে কোর্স শেষে ব্যাচেলর ডিগ্রিপ্রাপ্তরা স্বাস্থ্য অধিপ্তর এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীরা বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক থেকে নিবন্ধিত হয়ে কাজের সুযোগ পাবেন

কাজের সুযোগ
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনানি ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঢাকার তিব্বিয়া হাবিবিয়া কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মো. আনোয়ারুল আলম ভূইয়া জানান, ইউনানি আয়ুর্বেদিকে ব্যাচেলর ডিগ্রি ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেওয়ার পর কাজের অনেক সুযোগ রয়েছে সরকারি মেডিক্যাল অফিসার হওয়ার সুযোগ আছে চাকরির সুযোগ আছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রকল্পে সরকারের ওষুধ অধিদপ্তরেও সুযোগ আছে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রকল্পে মেডিক্যাল প্রতিনিধি হিসেবেও কাজের সুযোগ রয়েছে দেশের নামকরা ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিগুলোও ইউনানি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করে সেখানেও কাজের সুযোগ রয়েছে হামদর্দ, ইবনে সিনাসহ ইউনানি আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুত বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানে বিপণন থেকে শুরু করে নানা বিভাগে কাজের সুযোগ রয়েছে দেশে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ইউনানি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে ১৬টি এবং আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে ৯টি এসব কলেজে শিক্ষকতার সুযোগ রয়েছে ব্যক্তিগতভাবে চেম্বার দিয়ে প্র্যাকটিস এবং ইউনানি আয়ুর্বেদিক ওষুধের দোকান দিয়ে বসতে পারেন

হতে পারেন রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইউনানি আয়ুর্বেদিক ব্যাচেলর ডিগ্রিপ্রাপ্ত মোট ৭২৩ জন রেজিস্টার্ড ডাক্তার রয়েছেন এর মধ্যে ইউনানি বিষয়ে ৩৭৬ জন আয়ুর্বেদিক বিষয়ে ৩৪৭ জন, যাঁরা দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা বা উপজেলায় সরকারের নিবন্ধিত হেকিম হিসেবে কর্মরত বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক জানায়, সারা দেশে ইউনানি আয়ুর্বেদিক বিষয়ে ডিপ্লোমাধারী রেজিস্টার্ড হেকিম রয়েছে ব্যক্তিগতভাবে চেম্বার দিতে চাইলে প্রথমেই ভালো লোকেশন নির্বাচন করতে হবে ভালো মানের এবং নামকরা কম্পানির ওষুধ রাখতে পারলে সেবাগ্রহিতার সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি আয়ও বাড়বে

সরকারি প্রকল্পে কাজের সুযোগ
ইউনানি আয়ুর্বেদিক ডিগ্রি নেওয়ার পর সরকারের অলটারনেটিভ মেডিক্যাল কেয়ার (এএমসি) প্রকল্পে মেডিক্যাল অফিসার হওয়ার সুযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ট্রেডিশনাল মেডিসিন বিভাগের পরিচালক ডা. মনোয়ারা সুলতানা জানান, অলটারনেটিভ মেডিক্যাল কেয়ার প্রকল্পে ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয় ১৯৯৯ সালে ৪৫ জনকে ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষকসহ বেশ কিছু পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ইউনানি বিভাগে ৭০ জন এবং আয়ুর্বেদিক বিভাগে ৫৭ জনকে মেডিক্যাল অফিসার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অফিসারদের কাজে সহায়তার জন্য সরকার এখন পর্যন্ত ৬৩ জন কম্পাউন্ডার হারবাল অ্যাসিস্ট্যান্ট গার্ডেনার পদে ৪৩০ জন নিয়োগ পেয়েছে ২০২২ পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ রয়েছে বাড়তে পারে মেয়াদ একজন ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অফিসার সর্বসাকল্যে ২২০০০ টাকা বেতন পেয়ে থাকেন প্রকল্পে নিয়োগ পাওয়া অনেককেই ধাপে ধাপে রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ করেছে সরকার

আয়-রোজগার
ইউনানি আয়ুর্বেদিক পেশায় কর্মরত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধ্যয়ন শেষে রেজিস্টার্ড হয়ে নিজেই প্র্যাকটিস করলে প্রথমে আয়টা একটু কম হলেও সেবা সুনাম বাড়তে থাকলে বাড়বে আয়ের পরিমাণও শুরুর দিকে একজন মাসে স্থানভেদে ২০ হাজারের অধিক আয় করতে পারবে সরকারি চাকরিতেও ভালো বেতন-ভাতা পাওয়া যায় ছাড়া ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানিতেও শুরুর দিকে ২০-২৫ হাজার টাকা পাওয়া যেতে পারে অভিজ্ঞতার সঙ্গে বাড়বে বেতন অন্যান্য সুবিধাও